মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মিশন ও ভিশন

ভিশন: বাংলাদেশে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম ১৯৫৩ইং সালে বেসরকারী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে শুরম্ন হয়। কর্মসূচীর গুরম্নত্ব অনুধাবন পূর্বক ১৯৬৫ইং সালে সরকার এই কর্মসূচীকে অধিগ্রহন করে এবং সীমিত আকারে ক্লিনিক ভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম আরম্ভ করে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন কার্যক্রম কে সরকার সর্বাধিক গুরম্নত্ব প্রদান করে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান জনসংখ্যার ভয়াবহতা উপলব্ধি করে বলেন, একটা কথা ভুলে গেলে চলবেনা যে, প্রতি বছর আমাদের দেশে ৩০ লাখ মানুষ বৃদ্ধি পায়। আমার জায়গা হলো ৫০ হাজার বর্গমাইল। যদি আমাদের দেশে প্রতি বছর ৩০ লাখ মানুষ বেড়ে যায় তাহলে আগামী ২৫ থেকে ৩০ বছর পরে বাংলাদেশে হালচাষ করার মতো কোন জমি থাকবেনা।  সেজন্য আমাদের পপুলেশন কন্ট্রোল, ফ্যামিলি পস্ন্যানিং করতে হবে।

বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। স্বাধীনতা উত্তর জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ তথা পরিকল্পিত পরিবার গঠনের মাধ্যমে  সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার  কমে এখন ১.৩৭% দাঁড়িয়েছে । বর্তমানে টিএফআর ২.৩ এবং পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৭৮.২৫%।এছাড়া অপূর্ণ চাহিদার হার ১৩.৫% ( ২০১১ বিডিএইচএস) থেকে কমে ১২% এবং ড্রপ আউট রেট ৩৫.৬% হতে ৩০% এ কমে এসেছে।। মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হার হ্রাসে  ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণকেন্দ্রে ২৪/৭ ঘন্টা গর্ভবর্তী সেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলশ্রম্নতিতে  মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হার হ্রাস  পেয়েছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক ডেরিভারীর হার (৩৭% ) উন্নীত হয়েছে। ১৯৯৮ইং সালে গ্রামীন জনগনের দোড়গরায় স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিতে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেন। ইতিমধ্যে সারাদেশে ১২৮১৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৯শত কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাভাবিক প্রসব সেবা প্রদান করা হচ্ছে এবং প্রতিদিন গ্রামীন জনগোষঠীদের স্বাস্থ্য সেবা, জন্মনিয়ন্ত্রন সামগ্রী সহ বিনামূল্যে ঔষধ বিতরন করা হচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লÿÿ্য প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিকে ল্যাপটপ ও মডেম এর মাধ্যমে তথ্য সেবা ব্যবস্থা চালু আছে।

আমত্মর্জাতিক সাফল্যঃ সহশ্রাব্দ উন্নয়ন লÿ্যমাত্রা (এমডিজি), ৪ ও ৫ এ যুগামত্মকারী সাফল্য অর্জন বিশ্ববাসীর নজর আকৃষ্ট করেছে। শিশু মৃত্যু হ্রাস এ ঐতিহাসিক সাফল্য লাভ করে দেশবাসীর পÿÿ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ এ নিউইয়র্কে এমডিজি  এ্যাওয়ার্ড গ্রহন করেন। মা ও শিশু মৃত্যু হ্রাস এ বাংলাদেশের যুগামত্মকারী অর্জনের জন্য ২০১১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ অত্যমত্ম মর্যাদা পূর্ণ সাউথ সাউথ পুরষ্কারে ভূষিত হয়। বাংলাদেশের পÿÿ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই পুরষ্কার গ্রহন করেন।

মিশন ঃ বাংলাদেশের পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচীর সফলত অনেক। তথাপি আমাদের সামনে রয়েছে কিছু সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ। এ দেশে বাল্য বা শিশু বিবাহ এখনও একটি বড় সামাজিক সমস্যা হিসাবে বিদ্যমান। দেশের মোট জনসংখ্যার ২৩% হচ্ছে কিশোর কিশোরী। কিশোরীদের প্রায় ৫৯% এরই বিয়ে হয়ে যায় ১৮ বছর পূর্ন হওয়ার পূর্বেই( বিডিএইচএস-২০১৪)। ফলে এই অল্পবয়সী কেশোরী জনগোষ্ঠীর একটা বড় অংশ প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে অজ্ঞাত, অনেক ÿÿত্রে ভূল ধারনা নিয়ে বিবাহিত জীবনে প্রবেশ করে। তাছাড়া বাল্য বিবাহ-দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, মাতৃ-মৃত্যু, শিশু মৃত্যুর অন্যতম কারন। এই বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ সকল কিশোরী দম্পতিদের এবং শহরাঞ্চলে গড়ে উঠা বসিত্মবাসীদের, পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির আওতায় আনা দূরহ হয়ে পড়েছে। এছাড়া সিপিআর ও পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহনের ÿÿত্রে পুরম্নষের অংশগ্রহন বৃদ্ধি করা এবং টিএফআর, অপূর্ণ চাহিদা, ড্রপআউট হ্রাস করা, দুর্গম এলাকায় পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা অন্যতম চ্যালেঞ্জ।

* বাড়ী বাড়ী পরিদর্শনের মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে  দেয়া অব্যাহত রাখা ও জোরদারকরণ ;

* মা ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্যাটেলাইট ক্লিনিক গুলোতে সেবার মান নিশ্চিত করা। দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ২৪/৭ ঘন্টা ডেলিভারীসহ পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু এবং প্রজনন স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়ন ও সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।

 *

 * Roving Team

 * কিশোর কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে সকল সেবা কেন্দ্রকে পর্যায়ক্রমে  কিশোর কিশোরী বান্ধব করা

 *নববিবাহিত ও এক সমত্মানের দম্পতিদের জন্য পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু স্বাস্থ্য, নিরাপদ মাতৃত্ব, পুষ্টি, প্রজনন স্বাস্থ্য ও  জন্মবিরতিকরণ বিষয়ে  উপজেলা পর্যায়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভা আয়োজন করা।

 * ভ্রাম্যমান চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, প্রামাণ্য চিত্র, ইত্যাদি প্রচার ও প্রদর্শন করা ;

 * মনিটরিং ও সুপারভিশন জোরদার করার বর্তমান তদারকী ব্যবস্থার পাশা পাশি One Call Monitoring (OCM) চালু করা।

  • সৃজনশীল (Innovative) কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে কর্যক্রমের সার্বিক উন্নতি সাধন।

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter